Hemofix FZ এর কাজ কি [খাওয়ার নিয়ম ও দাম]

Hemofix FZ এর কাজ কি: হেমোফিক্স এফজেড ট্যাবলেট হলো বেক্সিমকো ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেডের উৎপাদিত একটি মানসম্মত ওষুধ। এটি ট্যাবলেট আকারে বাজারে সহজলভ্য। এর জেনেরিক নাম বা মূল উপাদানসমূহ হলো Ferrous Ascorbate, Folic Acid এবং Zinc Sulphate। আপনি যদি Hemofix FZ এর কাজ কি, কিসের ঔষধ, খাওয়ার নিয়ম ও দাম সম্পর্কে জানতে চান তাহলে আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

Hemofix FZ এর কাজ কি?

হেমোফিক্স এফজেড ট্যাবলেট আয়রন, ফলিক অ্যাসিড ও জিংকের ঘাটতি পূরণে কার্যকর। এটি গর্ভাবস্থা ও মাসিকের সময় রক্তস্বল্পতা দূর করে। এছাড়া মলিন ত্বক, নখের ভঙ্গুরতা বা মনোযোগের ঘাটতির মতো সমস্যায়ও এটি কার্যকর ভূমিকা রাখে। ফলিক অ্যাসিডের অভাব পূরণের পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এটি সহায়তা করে,  দেহের প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজের ঘাটতি পূরণে একটি নির্ভরযোগ্য সমাধান হিসেবে বিবেচিত হয়।

Hemofix FZ কিসের ঔষধ?

এই ট্যাবলেট মূলত জিংক ও আয়রনের অভাব পূরণে কার্যকর। শরীরে প্রয়োজনীয় জিংক ও আয়রনের ঘাটতি মেটানোর পাশাপাশি এটি আরও নানা উপকারে সহায়ক ভূমিকা পালন করে, যার বিস্তারিত আমরা উপরে উল্লেখ করেছি।

Hemofix FZ খাওয়ার নিয়ম

বয়স্ক ও প্রাপ্তবয়স্করা প্রতিদিন একটি করে হেমোফিক্স এফজেড ট্যাবলেট খাবারের আগে বা পরে সেবন করতে পারেন। চিকিৎসকের পরামর্শে দিনে দুটি পর্যন্ত গ্রহণ করা যায় এবং সাধারণত ৩–৬ মাস ব্যবহার করা হয়। গর্ভবতী মায়েদের অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শে এটি সেবন করতে হবে। শিশুদের জন্য নয় এবং অতিরিক্ত ডোজ এড়িয়ে চলা জরুরি।

Hemofix fz এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

Hemofix FZ ট্যাবলেট সাধারণত নিরাপদ এবং এতে তেমন কোনো গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায় না। তবে কিছু ক্ষেত্রে অল্প সময়ের জন্য হালকা প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। এর মধ্যে এপিগ্যাস্ট্রিক ব্যথা, বমিভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য, বমি, ডায়রিয়া বা বুক জ্বালাপোড়ার মতো সমস্যা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। সাধারণত এসব উপসর্গ সাময়িক এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেরে যায়।

FAQs

Hemofix FZ ট্যাবলেট এর দাম কত?

প্রতি পিস ট্যাবলেট এর মূল্য ৫ টাকা, আর একটি পূর্ণ পাতার দাম ৫০ টাকা। এটি সহজলভ্য এবং নিকটস্থ যেকোনো ফার্মেসি থেকে ক্রয় করা যায়।

এই ঔষধ কখন খেতে হয়?

এই ঔষধ খালি পেটে খেলে ভালো কাজ করে, তবে পেটের সমস্যা হলে খাবারের পরে খাওয়াই ভালো।

গর্ভাবস্থায় খাওয়া যাবে কিনা?

গর্ভাবস্থায় খাওয়া যায়, কারণ এতে আয়রন ও ফলিক অ্যাসিড আছে যা গর্ভাবস্থায় প্রয়োজনীয়। তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খেতে হবে।

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *