শরীর বন্ধ করার দোয়া ও নিয়ম
শরীর বন্ধ করার দোয়া: অনেক সময় একজন মানুষ আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যে নিজের শরীর “বন্ধ” করার প্রয়োজন অনুভব করেন। এর পেছনে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সংস্কারমূলক বিশ্বাস কাজ করে। যেমন: হিংসুটে বা খারাপ মানুষের বদনজর থেকে বাঁচা, জাদুটোনা বা কালোজাদুর কু-প্রভাব থেকে নিজেকে রক্ষা করা, খারাপ বাতাস বা অশুভ শক্তির হাত থেকে রেহাই পাওয়া, শত্রুর ক্ষতিকর প্রভাব এড়ানো এবং খারাপ জ্বীনের প্রভাব থেকে মুক্ত থাকা। এসব কারণে অনেকে নিয়মিত দোয়া, তাবিজ বা অন্যান্য আধ্যাত্মিক পদ্ধতির মাধ্যমে নিজেদের শরীর “বন্ধ” রাখেন বলে বিশ্বাস করেন।
শরীর বন্ধ করার দোয়া ও নিয়ম
আমল করার নিয়ম: প্রতিদিন ফজর ও মাগরিবের নামাজের পর সূরা ফালাক, সূরা নাস ও সূরা ইখলাস তিনবার করে ধারাবাহিকভাবে পড়ে নিজের ওপর ফুঁ দিন। ইনশাল্লাহ, আল্লাহ তাআলা আপনাকে সব ধরনের দুনিয়াবি ও আধ্যাত্মিক বিপদ থেকে হেফাজত করবেন।
সুরা ফালাক এর আরবী ও বাংলা উচ্চারণ:

সুরা আন-নাস এর আরবী ও বাংলা উচ্চারণ:

সুরা ইখলাস এর আরবী ও বাংলা উচ্চারণ:

আমল করার নিয়ম ২: প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি একবার পাঠ করা আত্মরক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। নিয়মিত এ আমল করলে ইনশাল্লাহ, আপনার শরীর আল্লাহর হিফাজতে থাকবে এবং সব ধরনের অশুভ শক্তি ও অনিষ্ট থেকে নিরাপদ থাকবে।
আয়াতুল কুরসি এর আরবী ও বাংলা উচ্চারণ:

বিশেষ দ্রষ্টব্য: উপরের যেকোনো একটি আমল করলেই, ইনশাল্লাহ, আপনার শরীর বন্ধ হয়ে যাবে। চাইলে দুটি আমলই একসাথে করতে পারেন। প্রয়োজনীয় সূরা ও আয়াত কুরআন শরীফ থেকে দেখে নিতে হবে।
FAQs
শরীর বন্ধ করলে কি হয়?
শরীর বন্ধ করার মাধ্যমে হিংসুটে বা খারাপ মানুষের বদনজর থেকে বাঁচা, জাদুটোনা বা কালোজাদুর কু-প্রভাব থেকে নিজেকে রক্ষা করা যায়।
শরীর বন্ধ করলে কি শরীরের কোন ক্ষতি হয়?
অন্যের মাধ্যমে বা কোন কবিরাজের দ্বারা আমার কোনো ক্ষতি যেন না হয় এজন্য শরীর বন্ধ করা হয়।
